মার্কিন হামলার পাল্টা জবাবে হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর বলছে, আইআরজিসি হরমুজে থাকা দুটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে আরও বলা হয়েছে, হরমুজে সব ধরনের জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ। এ ঘোষণার পরই তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে।
আল–জাজিরার খবরে জানা যায়, আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালি অবৈধভাবে পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় দুটি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম ও আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটিতেও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে জোরালো হামলার হুমকি দেন। এরপর বন্দর আব্বাসসহ ইরানের কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাজধানী তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত নতুন করে জোরদার হয় গত মঙ্গলবার। হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায়। জবাবে জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান।
পাল্টাপাল্টি হামলার পর বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, চুক্তির দর-কষাকষিতে ইরান সময় ক্ষেপণ করছে। এ জন্য দেশটিকে মূল্য দিতে হবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে অভিযোগ করে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে ‘কূটনৈতিক যোগাযোগ’ পুনর্মূল্যায়ন করবে।
নতুন করে এই উত্তেজনার মধ্যেও ওয়াশিংটন ও তেহরানকে আলোচনায় ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বুধবার কাতারের একটি প্রতিনিধিদল ইরানের রাজধানী তেহরানে গেছে।
উম্মাহ২৪ডটকম:আইএএ








