যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি আজ রবিবার স্বাক্ষরিত হবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে এর পরপরই হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে।
শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন বলে জানায় আলজাজিরা।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং চুক্তি স্বাক্ষরের পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক হবে।
তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সঙ্গে ইরানের অবস্থানের স্পষ্ট অমিল দেখা যাচ্ছে। তেহরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য তারা আলোচক পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ইরানি কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য কোনো নতুন চুক্তি বা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি। ফলে ট্রাম্পের ঘোষণাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই এ পথ বন্ধ বা সীমিত হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিটি পুনরায় পুরোপুরি চালু হওয়ার বিষয়টি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও নির্ভর করবে।
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার পরও ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সংকেত না আসায় সম্ভাব্য চুক্তির বাস্তবতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এখন উভয় পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








