সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবানন-সংক্রান্ত শর্ত মেনে চলতে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক মাইক হানা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ বিষয়ে ইসরাইলকে ‘খুবই কঠোর’ ভাষায় সতর্ক করেছেন।
হানা বলেন, ‘এটাও মনে রাখতে হবে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উত্তপ্ত আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে যখন তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, লেবাননে ইসরাইলের কার্যকলাপ এই সমঝোতা স্মারকটি পাস করানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ইসরাইলপন্থি লবি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছে।
হানা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, লেবানন একটি আলাদা বিষয়। কিন্তু এই সমঝোতা স্মারকে আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, এটি সমঝোতার একটি অংশ এবং ইসরাইলকে অবশ্যই লেবাননে কোনো কার্যকলাপ না চালানোর শর্ত মেনে চলতে হবে।’
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
আল জাজিরার এই সাংবাদিক আরো জানিয়েছেন, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বহু ইসরাইল-সমর্থক সদস্যের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এ সমালোচনার জবাব দিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।
এদিকে চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হতে এখনও দুই মাস সময় আছে। নেতানিয়াহু চান না চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতা থেকে সরাতে এখন নতুন পরিকল্পনার পথে হাঁটছেন তিনি।
এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো- চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়বস্তু নিজের অবস্থানের অনুকূলে নিয়ে আসা। এজন্য তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সিনেটরদের ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
সূত্র/- আল-জাজিরা
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








