দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ ও যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসরায়েলি নেতারা। তবে লেবাননে অধিকৃত এলাকাগুলোতে সেনারা তাদের বর্তমান অবস্থান বজায় রাখবে, যাতে হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে কঠোর জবাব দেওয়া যায়।
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলার জেরে ইরানের সামরিক বাহিনী বিশ্বের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ঘোষনার কয়েক ঘণ্টা পরই ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হামলা বন্ধ্যের বার্তা এলো।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
প্রসঙ্গত, যুদ্ধের অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর প্রতিবাদে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে গতকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানি প্রতিনিধি দল। ফলে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি বাতিল করা হয়েছে এবং আলোচনার সময়সূচী নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
পরবর্তীতে গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এদিন স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরও হয়। তবে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে কয়েক ঘণ্টা পরই ফের হামলা শুরু করে দখলদার ইসরায়েল।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা- ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সত্ত্বেও শনিবার ভোর থেকে দেশজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিত মানুষ।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তথ্য মতে, গত ২ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৫৭ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








