Home ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রতি ভালবাসার তাৎপর্য

রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রতি ভালবাসার তাৎপর্য

0

।। আব্দুল্লাহ মাসউদ ।।

যাঁকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই আসমান-যমীন, বেহেশ্ত-দোযখ কিছুই সৃষ্টি করতেন না, তাঁকে যে আল্লাহ তায়ালা কত ভালোবাসেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর তাই তিনি তাঁকে “হাবীবুল্লাহ্” খেতাবে ভূষিত করে তার যথার্থতারই প্রমাণ রেখেছেন।

আমরা যদি নবী কারীম (সা.)এর নবুওয়্যাত প্রাপ্তির সময় হতে তাঁর ওয়াফাত পর্যন্ত আল্লাহর বাণী এবং তাঁর কর্মময় জীবনের দিকে লক্ষ্য করি এবং তা অনুধাবন করবার চেষ্টা করি তাহলে আমাদের স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে যে, আসলেই আল্লাহ তায়ালা তাঁকে তাঁর প্রিয় হাবীব রূপেই গ্রহণ করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে- “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বারংবার আসমানের দিকে মুখোত্তোলন করতে দেখি। অতএব, আপনাকে অবশ্যই সেই ক্বিবলার দিকে ফিরাবো, যার আকাংখা আপনি করেছেন। অনন্তর আপনি মসজিদে হারামের দিকে (মক্কা শরীফ) মুখ ফিরিয়ে নিন।” (সূরা বাক্বারা- ১৪৪)।

উল্লেখ্য যে হিজরতের পর ১৬/১৭ মাস যাবত আল্লাহর নির্দেশক্রমে বাইতুল মুক্বাদ্দাসকেই ক্বিবলা নির্ধারণ করে সেই দিকে মুখ ফিরিয়েই নামায আদায় করা হতো। কিন্তু নবী কারীম (সা.)এর একান্ত ইচ্ছে, কা’বা শরীফই ক্বিবলা হোক। আর তাই তিনি তাঁর মনবাঞ্ছা পুরনের জন্য আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করেছিলেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রার্থনা কবুল করেন। আর এতেই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে প্রিয়নবী (সা.)এর প্রতি আল্লাহ তায়ালার অন্তরঙ্গতা কত গভীর।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যে শুধু দুনিয়াতেই তাঁর প্রিয় হাবীবকে সন্তুষ্ট করেছেন তা নয় বরং তিনি আখেরাতেও তাঁর প্রিয় হাবীবকে সন্তুষ্ট করবেন বলেও অঙ্গীকার করেছেন। বলা হচ্ছে অচিরেই আল্লাহ তায়ালা আপনাকে এমন কিছু দান করবেন যে আপনি সন্তুষ্ট হবেন। বস্তুতঃ এটা নবী কারীম (সা.)এর প্রতি আল্লাহ তায়ালার অগাধ ভালোবাসারই নামান্তর।

আবার মি’রাজের রাতের ঘটনাবলীর দিকে লক্ষ্য করলেও প্রিয়নবী (সা.)এর প্রতি আল্লাহর গভীর ভালোবাসার দৃষ্টান্ত চোখে পড়ে। মি’রাজের রাতে নবী কারীম (সা.) যখন আল্লাহর সান্নিধ্যে গিয়ে ছিলেন এবং সিজদারত অবস্থায় তাঁর উম্মতের জন্য পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাযের জায়গায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, তখনও মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবীবের প্রতি ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাঁর প্রিয় হাবীবকে খুশী করার জন্য তার মনে উদ্ভূত ইচ্ছা বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন; অর্থাৎ পঞ্চাশ ওয়াক্তের পরিবর্তে তাঁর উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামায তুহ্ফা স্বরূপ দান করেন।

ইরশাদ হচ্ছে- “(হে নবী!) আপনি বলে দিন, যদি তোমরা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাও, তবে আমার অনুসরণ কর, এতে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও করুণাময়।” (সূরা ইমরানঃ ৩১)।

উল্লিখিত আয়াতে রাসূলুল্লাহ (সা.)এর অনুসরণ-অনুকরণ করার তাকিদ দেওয়া হয়েছে এবং তার প্রতিদান স্বরূপ আল্লাহর নৈকট্য লাভের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

বস্তুতঃ এখানে নবী কারীম (সা.)এর সাথে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলা, আল্লাহর প্রেম ভালোবাসা ও নৈকট্য লাভের পূর্বশর্ত হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আসলে রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রতিটি কথা ও প্রতিটি পদক্ষেপে, এক কথায় প্রতিটি মুহুর্তেই তাঁর অনুসরণ-অনুকরণের মধ্যেই রয়েছে আমাদের পরম সফলতা।

এখানে একটা বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, এ আয়াতে ‘কুল’ (হে নবী আপনি বলুন!) এই আদেশ মূলক শব্দটি ব্যবহার করে আল্লাহ তায়ালা এ কথাই বুঝাতে চাচ্ছেন, হে রাসূল! আপনি বলে দিন, যদি তাদের (উম্মতদের) কর্মকান্ডগুলো আপনার আদর্শ মুতাবেক হয় তবেই শুধু সে আল্লাহর ভালোবাসা লাভের দাবীদার বলে গণ্য হবে, নচেত নয়। মোটকথা, এ আয়াতে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)এর অনুসৃত পথ ছাড়া অন্য কোন পথ আল্লাহ তায়ালার নিকট গ্রহণযোগ্য নয়।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর পাক কালামে নবী কারীম (সা.)এর প্রতি আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসার অসংখ্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। কাজেই এক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যেকের স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, যদি আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাকে এত ভালোবাসেন তবে তার প্রতি আমাদের ভালোবাসা কিরূপ হওয়া প্রয়োজন?

এ সম্পর্কে নবী কারীম (সা.) আমাদেরকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন- “যে পর্যন্ত না আমি তোমাদের পিতা, সন্তান-সন্ততি এবং সমগ্র বিশ্ববাসী অপেক্ষা অধিক প্রিয়পাত্র হই, সে পর্যন্ত তোমরা পূর্ণ মু’মিন হতে পারবে না।”

বস্তুতঃ নবী কারীম (সা.)এর অনুসরণ ও অনুকরণ সকল উন্নতি ও অবনতির একমাত্র চাবিকাঠি। একথাটি উপলব্ধি করেছিলেন সৌভাগ্যবান সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.)গণ। আর তাই তাদের অন্তর উদ্বেলিত হয়েছিল রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রেম ও ভালোবাসা পাবার জন্য। এবং তাঁরা তাঁকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভালোবাসতে সক্ষম হয়েছিলেন। আসলে তাদের ভালোবাসা ছিল নিজেদের জানের চেয়ে অধিক। তাঁরা আল্লাহর বাণী ও রাসূলুল্লাহ (সা.)এর বাণীকে হৃদয়ঙ্গম করেই জিহাদের ময়দানে নিজেদের জীবন সতঃস্ফূর্তভাবে বিলিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেননি। কুণ্ঠাবোধ করেন নি সুতীক্ষ্ম তরবারীর সামনে নিজেদের মাথা পেতে দিতে। কুণ্ঠাবোধ করেননি বর্শার মুখে বুক পেতে দিয়ে বুক ঝাঁঝরা করতে।

তারা শুধু যুদ্ধের ময়দানেই বুক পেতে দেননি বরং তারা রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রতিটি আমল খুঁজে খুঁজে বের করে সঠিকভাবে তা আমল করে দেখিয়েছেন। আর তাইতো তাঁদের প্রতি মহান আল্লাহ রাজীখুশী হয়ে ঘোষণা করেছেন “আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট।” আর রাসূল (সা.) স্বয়ং তাদের আমল-আখলাক এবং রাসূল প্রীতি দেখেই ঘোষণা করেছেন “আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রতুল্য অর্থাৎ সাহাবীগণ আগত উম্মতের ঈমান ও আমলের মাপকাঠি।”

বস্তুতঃ সাহাবায়ে কিরামগণ যে, তাকে তাদের প্রাণের চেয়ে বেশী ভালোবাসতেন তার কয়েকটি দৃষ্টান্ত আমরা এখানে তুলে ধরতে প্রয়াস পাব।

(১) হযরত আবুবকর (রাযি.) হিজরতের রাতে প্রিয়নবী (সা.)এর একমাত্র সাথী ছিলেন। পথিমধ্যে ‘সাওর’ গিরিগুহায় আশ্রয় নেবার সময় তিনি পূর্বে স্থানটি পরিস্কার করার পর নবী কারীম (সা.)কেভেতরে প্রবেশ করতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। হযরত আবু বকর (রাযি.) যেহেতু তাঁকে প্রাণের চেয়ে বেশী ভালোবাসতেন তাই সংকিত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর জন্য আর তাই সাপ-বিচ্ছুর দ্বারা নিজের অনিষ্ট হতে পারে জেনেও নবী কারীম (সা.)কে নিরাপদে রেখেছিলেন।

(২) উহূদ যুদ্ধে শত্রুপক্ষ প্রিয়নবী (সা.)কেলক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করছিল। তিনি তখন তাঁকে বেষ্টিত সাহাবীদের উদ্দেশ্য করে বললেন- “তোমাদের কে আছ যে এ মুহুর্তে শত্রুদের আড়াল করে আমার সম্মুখে দাঁড়াতে পার?” সংগে সংগে এক সাহাবী তাঁর সম্মুখে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং শত্রুদের নিক্ষিপ্ত তীর তার বুকে পেতে নিলেন এবং প্রিয়নবী (সা.)কে রক্ষা করলেন। যুদ্ধ শেষে দেখা গেল তার বক্ষে ৮৩টি তীর বিদ্ধ হয়েছে কিন্তু একটি তীরও পৃষ্ঠে বা পাঁজরে বিদ্ধ হয়নি।

(৩) উহূদের যুদ্ধের আরেকটি ঘটনা। যুদ্ধে দুশমনদের আঘাতে প্রিয়নবী (সা.)এর কপাল মুবারকে একটি লৌহখন্ড বিদ্ধ হয়েছিল। দাঁত দ্বারা লৌহ খন্ডটি বের করলে সঙ্গে সঙ্গে তার কপাল মুবারক থেকে তীরবেগে রক্ত বেরুতে লাগলো। তা দেখে মালিক ইব্নে সিনান (রাযি.) তাঁর কপাল মুবারকে চুম্বন করে রক্ত চুষে পান করতে লাগলেন। তখন নবী কারীম (সা.) তাকে লক্ষ্য করে বললেন- “মালিক! তোমার উপর দোযখের অগ্নি হারাম হয়ে গেল। কেননা, তোমার দেহে নবীর রক্ত প্রবেশ করেছে।”

(৪) উহূদের যুদ্ধে প্রিয়নবী (সা.)এর চারটি দান্দান মুবারক শহীদ হয়েছিল। এখবর পেয়ে হযরত ওয়ায়েস করণী (রাহ্.) তার ৩২টি দাঁতই ভেঙ্গে ফেল্লেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো প্রিয়নবী (সা.)এর তো চারটি দাঁত শহীদ হয়েছে, আপনি তার শোকে সবগুলো দাঁত কেন ভাঙ্গলেন? তিনি বললেন প্রিয়নবী (সা.)এর কোন দাঁতগুলো ভেঙ্গেছে তা আমি জানি না তাই আমার সবগুলো দাঁত ভেঙ্গে ফেল্লাম।

(৫) হযরত বায়েজীদ বুস্তামী (রাহ্.)কে একদিন কোন এক মুরীদ একটি খরবুজা ফল হাদিয়া পেশ করলেন। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করলেন না এই বলে যে, প্রিয়নবী (সা.) এ ফলটি খেয়েছেন কিনা আমার জানা নেই? কাজেই এই হাদিয়া গ্রহণ করলে এবং খেতে চাইলে এর মধ্যে প্রিয়নবী (সা.)এর সুন্নাতের উপর আমল করতে পারবো কিনা- এ ভয়েই হাদিয়া গ্রহণ করতে পারবো না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো যে, সাহাবায়ে কিরাম (রাযি.)গণ যেভাবে প্রিয়নবী (সা.)কে ভালোবেসেছিলেন এবং তাঁর অনুসৃত পথে জানমালের মুবারক কুরবানী দিয়ে সফলতার স্বর্ণশিখরে আরোহন করেছিলেন আমরা কি তা পেরেছি? সত্যি কথা বলতে কি আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠরাই তার অনুসৃত পথে চলছিনা। নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত যাবতীয় ইবাদতগুলো কিছু কিছু পালন করছি বটে কিন্তু দ্বীনের দাওয়াত দেওয়াটাকে তেমন একটা গুরুত্ব দিচ্ছিনা। অথচ সাহাবায়ে কিরাম শুধুমাত্র যুদ্ধের ময়দানেই পড়ে থাকতেন না বরং তাঁরা সার্বক্ষণিকভাবে দ্বীনের যিকিরফিকিরে মশগুল থাকতেন। বস্তুতঃ তাঁদের বিরামহীন দ্বীনের মেহ্নত ও দাওয়াতের বদৌলতেই ইসলামের সোনালী যুগে ঘরে বাইরে দ্বীনের এক পরিবেশ তৈরী হয়েছিল।

আজ সারা বিশ্বের দিকে দিকে তাকালে কি দেখতে পাই? দুঃখজনক হলেও সত্য যেদিকে তাকাই দেখি চারদিক বদদ্বীনি পরিবেশ। আজ মুসলমানদের ঘরে বাইরে দ্বীনের তা’লীম ও পরিবেশ না থাকার কারণে মুসলমানদের ঈমান-আখলাক ক্রমাগত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মুসলমানরা আজ বস্তুবাদী ও ভোগবাদী সভ্যতার অনুকরণ ও অনুসরণ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলশ্র€তিতে নগ্নতা, অশ্লীলতা ও অপসংস্কৃতির গড্ডালিকা প্রবাহে ভাসছে নতুন প্রজন্ম।

আজ ঘুষ, সুদ, দুর্নীতি, যিনা, ব্যভিচারের ভাইরাস সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে সংক্রামক ব্যধির ন্যায় প্রবেশ করছে। কলেজ-ভার্সিটির সবুজ চত্বরে চলছে সন্ত্রাসের মহড়া। নারীরা আজ দেহ প্রদর্শনীতে মেতে উঠেছে। নারী শিশুসহ জনগণের কোন নিরাপত্তা নেই। ইয়াসমীন, রীমা চৌধুরী, আসমা-হামিদাদের পবিত্র সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হচ্ছে একপ্রকার পশুত্বে নিমগ্ন আদম সন্তানদের দ্বারা। মুসলমানের ঘরে জন্মগ্রহণ করেও তথাকথিত নারী শাশ্বত কুরআনের সংশোধনীসহ নারী দেহের অবাধ স্বাধীনতা দাবী করে। শাসকরা দেশ জুড়ে অনৈসলামী কর্মকান্ড জারি করতে কুণ্ঠাবোধ করেনা।

কাজেই আজ প্রত্যেককেই গভীর ভাবে ভাবতে হবে। বস্তুঃ সাহাবায়ে কিরামগণ যেভাবে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলুল্লাহ (সা.)এর প্রেমে আপ্লুত হয়ে নিজেদের ঈমান-আমলকে মজবুত করেছিলেন। তথা দ্বীন প্রতিষ্ঠাক্ষেত্রে নিজেদের জানমাল সময় দিয়ে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলুল্লাহ (সা.)এর ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। তেমনি আমাদেরকেও পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের মেহনত করে তা প্রতিষ্ঠা করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। এবং আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (সা.)এর ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেককেই দ্বীনের বুঝ ও তা প্রতিষ্ঠা করার তাওফীক এনায়েত করুন। আমীন॥

লেখক: তরুণ ইসলামী রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক- জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা-ঢাকা।

ইসলামী মৌলবাদ প্রতিরোধ মানে অনৈসলামী মৌলবাদ প্রতিষ্ঠা করা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.