ব্যবসায়ীদের আপত্তি সত্ত্বেও আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ৪১ শতাংশ বর্ধিত ট্যারিফ কার্যকর করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ বন্দরের সেবা পেতে এখন থেকে বেশি অর্থ গুনতে হবে ব্যবহারকারীদের।
এই সিদ্ধান্তে দেশের শিপিং খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ফ্রান্সভিত্তিক শিপিং কোম্পানি সিএমএ-সিজিএম ইতিমধ্যে ২৬ অক্টোবর থেকে অতিরিক্ত চার্জ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলোরও একই পথে হাঁটার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, একের পর এক সেবাচার্জ বাড়ায় আমদানি-রপ্তানি ব্যয় বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি হিসেবে প্রতিফলিত হবে।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক আমিরুল হক বলেন, “বন্দরসহ সব ক্ষেত্রে মাশুলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের জন্য চরম সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
অন্যদিকে শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ জানান, “ট্যারিফ বৃদ্ধির ফলে জাহাজ ও কনটেইনার ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়বে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে রপ্তানিকারকরা।”
চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, “ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা না করেই ট্যারিফ বাড়ানো হয়েছে, যা অনভিপ্রেত।”
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








