ইরানের সব বন্দরকে ঘিরে নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। সোমবার থেকে এই অবরোধ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
রোববার এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা সব জাহাজের ওপর এই অবরোধ প্রযোজ্য হবে। উপসাগর ও ওমান উপসাগরসহ ইরানের উপকূলীয় এলাকায় চলাচলকারী সব দেশের জাহাজ এর আওতায় পড়বে।
তবে সেন্টকম উল্লেখ করেছে, ইরান ছাড়া অন্য দেশের বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহত করা হবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের কঠোর অবস্থানের তুলনায় কিছুটা নমনীয় ইঙ্গিত বহন করে।
এর আগে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণাঙ্গ অবরোধ এবং ইরানকে টোল প্রদানকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
মার্কিন এই ঘোষণার পরপরই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের বড় অংশ এই পথ দিয়ে হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








