মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন শেষে ফ্রান্সে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এ কথা বলেন। তার মতে, ইরানের অর্থ ফেরত না দিলে ডলারে কেউ বিনিয়োগ করবে না।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের প্রচুর অর্থ জব্দ করেছি এবং তা আমাদের কাছেই আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা আমাদের অর্থ নয়, এটা তাদের অর্থ। আমরা একটি নির্দিষ্ট সময়ে তা জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতে হবে। আপনারা জানেন, যদি আমরা তা ফেরত না দিই, তাহলে কেউই আর কখনো ডলারে বিনিয়োগ করবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের সঙ্গে যুক্ত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চুক্তি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি ‘সুনির্দিষ্ট, পারস্পরিকভাবে সম্মত পরিকল্পনা’ তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অর্থ দিচ্ছি না। তারা সঠিকভাবে আচরণ করলেই কেবল এটি সম্ভব হবে। তারা যদি ঠিকভাবে চলে এবং কেউ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বিনিয়োগ করতে পারবে। এই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলও সেই শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।’
ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে— যখন আপনারা বিলিয়ন ডলারের কথা বলেন, তখন মনে রাখতে হবে তাদের এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে।’
ইরানের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা সঠিক আচরণ শুরু করলেই কিছু না কিছু ঘটবে।’
সূত্র/- আনাদোলু
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








