সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর রোডম্যাপে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তান। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনার পর দুই পক্ষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা তদারকির জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে কারিগরি আলোচনা চালিয়ে যেতে বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনাকে “খুবই ফলপ্রসূ” উল্লেখ করে বলেন, “আমরা চূড়ান্ত চুক্তির ভিত্তি স্থাপন করতে পেরেছি। তবে এখনও অনেক কাজ বাকি।”
বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে লেবাননে উত্তেজনা প্রশমন ও যুদ্ধবিরতি তদারকির জন্য ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে ভুল বোঝাবুঝি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ লাইন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তবে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম মজুদের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের পরিধি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সময়সীমার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক সমঝোতার পর সবচেয়ে কঠিন হবে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা। তবুও সুইজারল্যান্ডের এই বৈঠককে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের উত্তেজনা কমানোর পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








