ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, সাম্প্রতিক সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে। আন্তর্জাতিক আইন মেনেই ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পরিচালনা করবে এবং এটি আর কখনো যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে না।
সোমবার (২৩ জুন) সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষে দেশে ফিরে তিনি বলেন, আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং তাঁর নির্দেশনাই চূড়ান্ত।
গালিবাফ দাবি করেন, সামরিক সক্ষমতা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সমন্বয়ের ফলেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় আদায় করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর ভাষায়, যুদ্ধক্ষেত্রের সাফল্যই আলোচনার টেবিলে ইরানের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।
তিনি জানান, চুক্তির আওতায় তেল রপ্তানি, পেট্রোকেমিক্যাল, ব্যাংকিং, বিমা ও পরিবহন খাতে আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের আটকে থাকা তহবিল ছাড়ের বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তবে গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো বাধা বা লঙ্ঘন হলে ইরান কূটনৈতিক ও সামরিক—উভয় উপায়ে জবাব দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “ইরান কখনোই অন্যায় দাবি মেনে নেবে না এবং জাতীয় অধিকার রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে।”
লেবানন প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, আলোচনার পর সেখানে হামলা কমেছে এবং বাস্তুচ্যুত মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরান ভবিষ্যতেও ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








