ভারতের রাজস্থানের সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ, মাদরাসা ও দরগাসহ মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস ও অপসারণের ঘটনা বন্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান এবং হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য আসাদুদ্দিন ওয়াইসি।
রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ওয়াইসি অভিযোগ করেন, রাজস্থানের সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে উচ্ছেদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।
এআইএমআইএমের বিকানের জেলা সভাপতি শফি জামিল কাসমির তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, বিকানেরে চারটি এবং ফালোদি, জয়সলমের ও বারমের এলাকায় আরও নয়টি মসজিদ ও দরগা ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক ধর্মীয় স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদের নোটিশ জারি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
জাহেদ উর রহমানের ভ্রমণ প্রসঙ্গে মুখ খুলল ভারতজাহেদ উর রহমানের ভ্রমণ প্রসঙ্গে মুখ খুলল ভারত
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ওয়াইসির ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনে এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে স্থাপনাগুলো চারণভূমির ওপর নির্মিত। তবে স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানোর পর অনুমোদন ও নথিগত জটিলতার বিষয়টি সামনে আনা হয়।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওয়াইসি বলেন, এই উচ্ছেদ কার্যক্রম বৈষম্যমূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আইনসম্মত নয়। তাই অবিলম্বে এ ধরনের অভিযান বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে বিষয়টি নিয়ে রাজস্থান রাজ্য সরকার কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








