Home মহিলাঙ্গন নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি দৃষ্টিপাতের ইসলামী বিধান-২

নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি দৃষ্টিপাতের ইসলামী বিধান-২

0

।। শেখ মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান নিজামী ।।

[পূর্ব প্রকাশিতের পর]

হাতের প্রতি দৃষ্টিপাতঃ

মহিলাদের হাতের প্রতি দৃষ্টিপাতের বিধান তাদের চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের (পূর্ব বর্ণিত মতামতের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে যারা চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাত বৈধ মনে করেন, তাদের পক্ষ থেকে এখানে আরও দু’টি প্রমাণ পেশ করা হচ্ছে।

১. আল্লামা তাবারী (রাহ্.) হযরত ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) সূত্রে বর্ণনা করেন, হযরত ক্বাতাদাহ্ (রাযি.) বলেন, “আমি জানতে পেরেছি যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে মহিলা আল্লাহ্ ও ক্বিয়ামত দিবসে বিশ্বাসী, তার জন্য বৈধ নয় যে, সে তার হস্তদ্বয় উন্মুক্ত করুক। তবে এতটুকু, একথা বলে তিনি হাতের অর্ধেক পর্যন্ত ধরে দেখালেন।” (তাফ্সীরে তাবারী- ৮/১১৮, ১১৯)।

২. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা হযরত ফাতিমা (রাযি.)এর দুই ছেলের একজনকে যখন হযরত বিলাল (রাযি.) অথবা হযরত আনাস (রাযি.) ফাতিমা (রাযি.)এর নিকট থেকে কোলে নিলেন, তখন তিনি (বের হয়ে) বললেন, আমি তাঁর (ফাতিমা) হাতের কব্জি পর্যন্ত দেখেছি, তা যেন চাঁদের টুকরো।” সুতরাং প্রমাণিত হয় যে, মহিলার চেহারা বা হাতের প্রতি দৃষ্টিপাতে কোন দোষ নেই।

বৈধ বলে মত পোষণকারীদের প্রমাণাদির সমালোচনা

১. সাক্ষী প্রদান ও বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে কখনো কখনো চেহারা ও হাত প্রকাশ করতে বাধ্য হতে হয়। এ মর্মে যে দলীল উপস্থাপন করা হয়েছে, তার জবাব হল, এটা তো সর্বসম্মত বিষয় যে, প্রয়োজনে এরূপ করা মুবাহ বা বৈধ। আর প্রয়োজন তার চাহিদানুযায়ী নির্ধারিত হয়। সুতরাং এটা স্থায়ীভাবে দৃষ্টিপাত বৈধ হওয়ার প্রমাণ হতে পারে না। আর এ ব্যাপারে তো মূলনীতিই রয়েছে- “প্রয়োজন নিষিদ্ধ বিষয়কে মুবাহ করে দেয়।”

২. হযরত আয়েশা (রাযি.)এর বরাতে বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল (যে হাদীসে সনদের ‘ইনকিতা’ শেষের দিকে হয়েছে অর্থাৎ সাহাবীর নামই বাদ পড়েছে এবং স্বয়ং বাহিঈ হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম করে বর্ণনা করেছেন), যেমনটি আবুদাঊদ শরীফে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের বর্ণনায় একজন বর্ণনাকারী খালিদ বিন ফুদাইক, যিনি হযরত আয়েশা (রাযি.) থেকে শুনেননি। এর আরও একজন বর্ণনাকারী হলেন সাঈদ ইবনে বাশীর, যার সম্পর্কে একাধিক সমালোচক সমালোচনা করেছেন। (আবুদাঊদ-২/৩৮৩)।

৩. যে মহিলা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বিবাহের প্রস্তাব করেছিলেন, তাঁর প্রতি দৃষ্টি প্রদান ছিল বিবাহের প্রস্তাবের কারণে, যা সর্বসম্মতভাবে মুবাহ। সুতরাং এগুলো সর্বাবস্থায় দৃষ্টিপাত বৈধ হওয়ার প্রমাণ হতে পারে না।

অবৈধ বলে মত পোষণকারীদের দলীলের সমালোচনা

(ক) প্রথম আয়াতটিতে বিশেষ করে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবিগণ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তাঁদের নিকট তোমরা কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তো অন্যদের জন্য প্রযোজ্য নয়। এক্ষেত্রে প্রশ্ন দাঁড়ায় যে, আয়াতের বিধান তো মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ এবং অন্যান্য মুসলিম মহিলাদের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। কেননা, আমরা তো মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুকরণ ও অনুসরণের ব্যাপারে আদিষ্ট। তবে হ্যাঁ, একান্তভাবে যা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট সেগুলো ব্যতিক্রম। (আহ্কামুল কুরআন-৩/৪৫৫)।

শব্দ ও বাক্যে যা বর্ণিত হয়েছে তা নবীর স্ত্রীগণের জন্য নির্দিষ্ট নয়, বরং সাধারণভাবে সকলের জন্য প্রযোজ্য। ফলে এ আয়াত চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাত জায়েয না হওয়াই প্রমাণ করে।

(খ) চাদর বা ওড়না দ্বারা আবৃত হওয়ার বিধান সম্বলিত আয়াতের উদ্দেশ্য হল, স্বাধীন মহিলা ও দাসীদের পার্থক্য সৃষ্টি করা। এ দ্বারা চেহারা আবৃত করা উদ্দেশ্য নয়।

এখানেও প্রশ্ন থেকে যায় যে, চাদর বা ওড়না দ্বারা আবৃত হওয়ার দ্বারা যদি কেবল স্বাধীন মহিলা ও দাসীদের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করাই উদ্দেশ্য হত; তাহলে অন্য কোন চিহ্ন ধারণ করার আদেশ দিলেই তো হত। যা দ্বারা পার্থক্য সৃষ্টি হয়ে যেত। চাদর বা ওড়নায় আবৃত হওয়ার প্রয়োজন ছিল না। বিশেষভাবে চাদর দিয়ে আবৃত করার উল্লেখ দ্বারা একথা প্রমাণিত হয়েছে যে, এখানে চেহারা আবৃত করাই উদ্দেশ্য; শুধু দাসীদের থেকে পার্থক্য করা নয়।

গ্রহণযোগ্য মতঃ

যে মতটি বর্ণিত মতামতগুলোর মাঝে শরীয়তের বিধানের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপর্ণ বলে মনে হয়, তা হল বিনা প্রয়োজনে যুবতী নারীর চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাত করা বৈধ নয়। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন নানা ফিত্নার বিস্তৃতি ঘটেছে এবং উত্তেজনা বর্ধক নানা প্রসাধনী ব্যাপকতা লাভ করেছে।

হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- “দৃষ্টিপাত শয়তানের বিষাক্ত তীরসমূহের একটি। সুতরাং যে তার চক্ষুকে নিুগামী করবে, আল্লাহ্ তাকে আত্মিক পরিতৃপ্তির অধিকারী করবেন”। (মুসনাদে আহমদ-৫/২৬৪)।

‘মুনতাকা’ নামক কিতাবে বর্ণিত হয়েছে, যুবতীদেরকে তাদের চেহারা উন্মুক্ত করতে নিষেধ করা হবে, যেন ফিত্না ডেকে না আনে। আর বর্তমান সময়ে এ নিষেধাজ্ঞা ওয়াজিব নয়, বরং অনাসৃষ্টির প্রবৃদ্ধির কারণে তা ফরয।

‘র্দুরুল মুখ্তার’ নামক ফাত্ওয়া গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, “যুবতী মেয়েকে পুরুষের সম্মুখে চেহারা অবমুক্ত করতে এ কারণে নিষেধ করা হয় না যে, চেহারা সতর, যা কখনো অনাবৃত করা যায় না। বরং ফিত্নার কারণে নিষেধ করা হয়; যেমন, তার চেহারা পর-পুরুষের জন্য স্পর্শ করা নিষিদ্ধ। যদি ফিত্নার আশঙ্কা নাও থাকে তবুও এ ব্যবস্থা অধিক নিরাপদ”। (রদ্দুল মুহ্তার-৩/২৬১)।

তবে হ্যাঁ, যখন প্রয়োজন দেখা দেয় বা অনিবার্য কারণে দৃষ্টিপাত করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে, তখন ইসলাম সে ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করেছে, মানুষের প্রয়োজনে ও অনিবার্য ক্ষেত্রে ইসলাম কঠোরতার পরিচয় দেয়নি। ইসলামের চূড়াš লক্ষ্য তো অবরোধ নয়, বরং ফিত্নার দ্বার রুদ্ধ করা।

পায়ের প্রতি দৃষ্টিপাতঃ

হানাফী মাযহাবের গ্রহণযোগ্য মত, হাম্বলী মাযহাবের আল্লামা তকীউদ্দীন (রাহ্.) এবং শাফিঈ মাযহাবের ইমাম মযনী (রাহ্.) ও ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রাহ্.)এর মতে মহিলাদের পদদ্বয় সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই পায়ের দিকে দৃষ্টিপাত মুবাহ। (আল্ মাবসূত-১/১৫৩)। তাঁদের দলীল নিম্নরূপ-

মহিলাদের চেহারা যেরূপভাবে পুরুষের সাথে বিভিন্ন মুআমালার কারণে সৃষ্ট জটিলতায় অবমুক্ত রাখতে হয় এবং গ্রহণ ও প্রদানজনিত সমস্যার কারণে হাত অনাবৃত রাখার প্রয়োজন পড়ে, অনুরূপভাবে যখন মহিলা শুধু জুতা পায়ে অথবা খালি পায়ে চলে, তখনও এ প্রয়োজনের তাগিদে পায়ের দিকে দৃষ্টিপাত বৈধ হওয়াই যুক্তিসংগত। আর সব সময় পরিধান করার মোজার ব্যবস্থা করাও সম্ভব হয়ে ওঠে না। (আল-ফাওয়াক্বিহুদ দাওয়ানী-১/১৫৩)।

হাতের বাহুর প্রতি দৃষ্টিপাতঃ

ইমাম আবু ইউসুফ (রাহ্.)এর মতে বাহুর প্রতি দৃষ্টিপাত বৈধ। পূর্বে বর্ণিত হযরত ক্বাতাদাহ্ (রাযি.)এর হাদীস তার দলীল। তাতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- “তবে হ্যাঁ, এ পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখতে পারবে, একথা বলে তিনি বাহুর অর্ধেক পর্যন্ত ধরলেন।” এছাড়াও রুটি বানানো এবং কাপড় ধৌত করার কাজেও মহিলারা বাধ্য হয় হাত/বাহু উন্মুক্ত করতে।

গ্রহণযোগ্য মতঃ

বাহু ও পায়ের প্রতি বিনা জরুরতে দৃষ্টিপাত সম্পর্কিত জমহুর আলেমগণের মতই গ্রহণযোগ্য অর্থাৎ বৈধ নয়। তবে নামায পড়ার সময় মেয়েদের হাত ও পা সতর নয় বলে মত ব্যক্ত করেছেন জমহুর আলেমগণ। কেননা, এতে মেয়েদের সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাছাড়া নামাযের সময় এই দুই অঙ্গ ঢেকে রাখা কঠিনও বটে।

বৃদ্ধাদের প্রতি দৃষ্টিপাতঃ

মালেকী মাযহাব মতে এমন বেগানা বৃদ্ধা মহিলার প্রতি দৃষ্টিপাত বৈধ, যার অনেক বয়স হয়েছে এবং তার প্রতি পুরুষের কোন আগ্রহ নেই। (হাশিয়াতুল আদাবি-২/৪২৩)।

শাফিঈ মাযহাবের অনেকেই এরূপ মত ব্যক্ত করেছেন, ইমাম আওযাঈ (রাহ্.) এ মত পছন্দ করেছেন। তবে এটি শাফিঈ মাযহাবের গৌণ মত। (আল্ মুগনী-৩/১২৯)।

আর শাফিঈ মাযহাবের অধিক গ্রহণযোগ্য মত হল, যুবতীর ন্যায় বৃদ্ধাদের প্রতিও দৃষ্টিপাত করা হারাম। হানাফী মাযহাব এবং আহ্লে জাওয়াহের তো সাধারণভাবে সকল নারীর চেহারা ও হাতের প্রতি দৃষ্টিপাতকে বৈধ বলেছেন। সুতরাং যুবতী/বৃদ্ধা একই হুকুমের অšর্ভুক্ত। (বাদায়ে’-৫/১২৩)।

হাম্বলী মাযহাবে কামাসক্তি মুক্ত বৃদ্ধাদের সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করে বলা হয়েছে- “সাধারণতঃ শরীরের যে অংশ প্রকাশ থাকে, তাতে দৃষ্টিপাত বৈধ। একই মত পোষণ করা হয়েছে সে সব মহিলার ব্যাপারে, যারা বিকৃত চেহারা হওয়ার কারণে আকর্ষণ মুক্ত।” (আল্ মুগনী-৬/৫৬০)।

যারা বৃদ্ধাদের প্রতি দৃষ্টিপাতকে বৈধ বলেছেন, তারা এ আয়াত দ্বারা দলীল পেশ করেন- “বয়স্ক সে সব মহিলা, যারা আর বিবাহের ব্যাপারে আগ্রহী নয়, তাদের জন্য অপরাধ নয়, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে তাদের বহির্বাস খুলে রাখে, তবে এ হতে তাদের বিরত থাকাই উত্তম। আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ।” (সূরা নূর- ৬০)।

অধিকাংশ আলেম ‘ক্বাওয়াঈদা মিনান্ নিসা’-এর অর্থ করেছেন, সে সব বৃদ্ধা, যারা বার্ধক্যজনিত কারণে কাজকর্ম থেকে বিরত থাকে অথবা যাদের সšান ধারণ ক্ষমতা নেই এবং মাসিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে। এ অর্থের ভিত্তিতে সে সব অতিবৃদ্ধা, যাদের কামশক্তি লোপ পেয়েছে এবং পুরুষের প্রতি যাদের আগ্রহ কমে গেছে এবং বিবাহের আশা আর অবশিষ্ট নেই কিংবা ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে, ওড়না পরিত্যাগ করা তাদের জন্য বৈধ। তাদের চেহারা, চুল প্রকাশ পেলেও তাতে দোষ নেই। (তাফ্সীরে কুরতুবী-১২/৩০৯)।

এতদসত্ত্বেও বৃদ্ধাদের জন্য পরিচ্ছদের ব্যাপারে শরীয়তের সীমারেখা লঘন করার অনুমতি নেই। বরং উগ্র সৌন্দর্য প্রদর্শন ও বেহায়াপনা থেকে মুক্ত থাকার শর্তে তাদের ওড়না ব্যবহার না করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও তা ব্যবহার করাই উত্তম।

কাপড় পরিধান করার পরও দেহ প্রকাশ পায় এমন নারীর প্রতি দৃষ্টিপাত

এটা সত্য যে, নারীর শরীর কাপড় দ্বারা আবৃত থাকলে তার প্রতি দৃষ্টিপাতে কোন দোষ নেই। কেননা, এখানে তো তার কাপড়ের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে, তার প্রতি নয়। যেমন, কোন মহিলা বাড়ীতে আছে, আর কোন পুরুষ সে বাড়ীর দেওয়ালের দিকে তাকাল। এতে কোন দোষ নেই। কারণ এতে নারীর শরীর দেখা যায় না, তবে এ বৈধতা তখন থাকবে যখন নারীদেহ আবৃত রাখার মত পোশাক ব্যবহার করা হবে।

হ্যাঁ, আজকাল আধুনিকতার নামে কিছু মহিলা, যারা নারী সমাজের শালীনতাবোধ বিনষ্ট করে ফেলেছে, তারা যে ধরনের পোশাক পরিচ্ছদ পরিধান করে সে দিকে দৃষ্টিপাত বৈধ নয়, যদি নারীর পোশাক এমন হয়, তবে চক্ষু অবনত করা জরুরী। কেননা, নারীর এ ধরনের পোশাক যা তাদের শরীর আবৃত করে না, তারা বাহ্যতঃ কাপড় পরিহিতা হলেও বাস্তবে নগ্ন। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদের সম্পর্কে বলেছেন- “কাপড় পরিহিতা উলঙ্গ নারীর প্রতি আল্লাহ্ তাআলা অভিসম্পাত করেন।” [আগামী কিস্তিতে সমাপ্য]

লেখক পরিচিতিঃ সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

নারী-পুরুষ পরস্পরের প্রতি দৃষ্টিপাতের ইসলামী বিধান: (প্রথম কিস্তি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.