ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রকে জোট থেকে প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ন্যাটো প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি একে ‘একটি পরীক্ষা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এই পরীক্ষায় ন্যাটো ব্যর্থ হয়েছে।”
লেভিট জানান, ট্রাম্প মনে করেন গত কয়েক সপ্তাহে ন্যাটো আমেরিকান জনগণের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করেনি, যদিও জোটের প্রতিরক্ষার বড় অংশের ব্যয় বহন করে যুক্তরাষ্ট্রই।
এই মন্তব্যের পর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি ‘খোলামেলা ও সরাসরি’ হয়েছে বলে জানান রুটে। তিনি বলেন, ন্যাটো মিত্ররা সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও লজিস্টিক সহায়তা ও ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ট্রাম্প ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ‘আলোচনা করেছেন’ বলে জানান লেভিট, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ অব্যাহত রেখেছেন। ২০২৫ সালের সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাধ্যতামূলক নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্পের এমন অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরও বাড়াতে পারে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








